হাত ও পায়ের নখ সংক্রান্ত আদব
১. প্রতি জুমাবারে (শুক্রবার) নখ কাটার চেষ্টা করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ এসম্পর্কে নির্দিষ্ট দিন, নিয়ম বলে যাননি। তবে সাহাবী ও তাবেঈদের মাঝে জুমার দিন নামাজে যাবার আগে গোসল ও নখ কাটার আমল দেখা গিয়েছে। এজন্য আলিমগণ এদিন নখ কাটাকে উৎসাহিত করে থাকেন।
২. কোন হাতের নখ আগে কাটতে হবে, কোন আঙুল থেকে শুরু করতে হবে, শেষ করতে হবে — এমন কোনো বর্ণনা হাদীসে আসেনি। আলিমগণ ভালো কাজ ডান দিক থেকে শুরু করার সাথে মিলিয়ে ডান হাতের ডান দিক থেকে শুরু করার জন্য উৎসাহিত করে থাকেন।
৩. নখ যেনো বেশি বড় না হয় এজন্য প্রতি সপ্তাহে নখ কাটার জন্য বলা হয়ে থাকে। আর সর্বোচ্চ ৪০ দিনের বেশি দিন নখ না কাটা গুনাহ। হাদীসে এবিষয়ে বর্ণনা রয়েছে।
৫. নখ কাটার পর সেগুলো মাটির নিচে দাফন করে ফেলা উত্তম। দাফন করা সম্ভব না হলে পচনশীল কাগজে মুড়িয়ে এমনস্থানে ফেলা উচিত যেখান থেকে মন্দ উদ্দেশ্যে (সিহর/জাদু) সেগুলো সংগ্রহ করা না যায়।
৬. দাঁত দিয়ে নখ কাটা উচিত নয়। ব্লেড/ নেইলকাটার ব্যবহার করে সুন্দরভাবে নখ কাটা উচিত। সৌন্দর্য একটি গুণ।
৭. নিয়মিত নখ পরিষ্কার রাখা উচিত। নখের নিচে ময়লা যেনো না জমে। নখ বেশি বড় হলে ওজু ও গোসলের পানি ঢুকতে অসুবিধা হতে পারে।
৮. নেইলপলিশ বা এধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করলে নখে পানি লাগেনা। ফলে ওজু ও গোসল হবে না। শখের জন্য এসব ব্যবহার করা হলে, ওজু ও গোসলের সময় এগুলো তুলে ফেলতে হবে।
অবলম্বন:
(ক) হাদীস: সহিহ মুসলিম; তাহারাত – ২৫৮ ও অন্যান্য
(খ) বই: আখলাক শিষ্টাচার; শায়খ মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ



