শাহ আবদুর রহীম সাহেব দারুল উলুম দেওবন্দ ও মাযাহিরুল উলূমের পৃষ্ঠপোষক… — Mohammad Abid Azam — TG.ME

শাহ আবদুর রহীম সাহেব দারুল উলুম দেওবন্দ ও মাযাহিরুল উলূমের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

তিনি বলতেন, মাদরাসার পৃষ্ঠপোষকতায় আমার যে পরিমাণ ভয় হয়, অন্য কোনো ক্ষেত্রে এত বেশি ভয় হয় না।

যদি কোনো ব্যক্তি কারো অধীনে চাকরি করে এবং মালিকের কাজে ত্রুটি করে বা খিয়ানত করে কিংবা ক্ষতি করে তবে চাকরি হতে অবসর নেওয়ার সময় অথবা মরণের সময় মালিকের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলে ক্ষমা পেয়ে যাবে। কিন্তু মাদরাসা ফাণ্ডে যে সব পয়সা জমা হয়, এগুলোর মালিক তো জনসাধারণ।

আমরা যারা মাদরাসা পরিচালনা করি তাদের কোনো মালিকানা নেই। তারা আমানতদার। এ সম্পর্কে যদি কোনো সীমালঙ্ঘন হয়, তবে আমরা ক্ষমা করলে ক্ষমা পাওয়া যাবে না। কেননা অন্যের সম্পদের ক্ষতির ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষমা করার কোনো অধিকার নেই।

অবশ্য মাদরাসার স্বার্থে যদি আমরা কিছুটা শৈথিল্য প্রদর্শন করি তবে আল্লাহর দরবারে আশা করা যায় তিনি আমাদেরকে ক্ষমা করবেন। কিন্তুি যদি ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে শৈথিল্য প্রদর্শন করা হয় তবে, আমরা অপরাধীরূপে গণ্য হব। আর যারা প্রকৃত অপরাধী তারা তো কোনোক্রমেই ক্ষমা পাাবে না। কেননা এটা সকল মানুষের হক। সকলের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া তো সম্ভব নয়।

বই: আপবীতী (আত্মজীবনী)
লেখক: শাইখুল হাদীস যাকারিয়া কান্ধলভী রহ.
❤4
September 7, 2026 185