#ব্রেকিং
বেশকিছু গ্লোবাল সোর্স থেকে সতর্কতা এসেছে এশিয়ার ৮ টি দেশে যে কোনো মুহুর্তে বড় ভূমিকম্প হওয়ার শতভাগ চান্স রয়েছে। এরমধ্যে টপ কান্ট্রি আমাদের দেশ।
ইভেন আমি নিজেও একটি বিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে এই প্রেডিক্টশনের কথা জানতে পেয়েছি।
আল্লাহ নিজ কুদরতে রক্ষা না করলে এই প্রেডিক্টশন সত্য হওয়ার চান্স খুব বেশি।
ল্যাণ্ডিক প্লেট ১২ ডিগ্রী সরে গেছে। যে কোনো সময় ৭ দশমিক মাত্রায় কম্পন হবে। গতবার ৫ দশমিকে যা হয়েছিলো, আল্লাহ না করুন ৭ দশমিক হলে মারাত্মক ব্লেন্ডার হবে। বিল্ডিং ধ্বস তো আছেই, সাথে মাটির নিচে গ্যাসের পাইপগুলো ফেটে দ্রুত আগুনের চেইন বিস্ফোরণ ঘটবে। আর অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটবে।
যেহেতু বিপদে সতর্ক থাকা নিষেধ নয়, তাই আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রেখেই যার যার জায়গা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ভূমিকম্পের প্রেডিকশন অনেকটা আবহাওয়ার মতো। রিসার্চ করে অনুমান করা যায়, শিয়রিটি দেওয়া যায়না। না বলা যায় কখন কোন মাত্রায় কতটুক ক্ষতি করবে। এটা সম্পূর্ণ মালিকের ইচ্ছে।
কাইন্ডলি কেউ বলবেননা মানুষকে প্যানিক এ্যাটাক দিচ্ছি। নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে খবর পেয়েছি বলেই শেয়ার করা।
আমি না বললে কম্পন হবেনা এটার তো শিয়রিটি নেই তাইনা!
তাহলে যেটা রিসার্চ বলছে এটলিস্ট সতর্ক থাকার চেষ্টা করা উচিত। নাহলে তো আলহামদুলিল্লাহ।
তাহলে এ মুহূর্তে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে পারি?
১। প্রথমত দুআ, খুব বেশি দুআ করি। একমাত্র দুআ-ই পারে সমস্ত বিপদ টলাতে। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। সম্ভব হলে কিছু সাদাকাহ করি। সাদাকা বিপদআপদ টলায়।
২। বড় খিমার/ নিকাব/ ওড়না হাতের কাছে রাখি। বাইরে বের হতে পারি না পারি ইন্সট্যান্ট এগুলো পরে নিবো। বেঁচে ফিরি না ফিরি সতর আবৃত থাকবে ইন শা আল্লাহ।
৩। যাদের বাসা নিচের ফ্লোরে আশেপাশে ফাঁকা জায়গা খুঁজে রাখি। সাথে সাথে যেনো মুভ করা যায়। কিন্তু যাদের বাসা ৩ তলার উপরে তারা ঘরের মধ্যে পিলারের নিচে, খাট/টেবিলের নিচে আশ্রয় নিবো।
৪। সম্ভব হলে হেলমেট কিনে রাখি। যেহেতু মাথায় আঘাত খেয়েই মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি। হেলমেট কিছুটা সেইফটি দিবে আল্লাহ চাইলে।
৫। ঘরে একটা প্যাকেটে বাঁশি, পানি, শুকনা খাবার রেখে হাতের কাছে রাখি। বেঁচে গেলে উদ্ধারকর্মী আসা অব্দি কিছুটা শারীরিক যোগান দিবে ইন শা আল্লাহ।
৬। যাদের গ্রামের বাড়িতে ফাঁকা জায়গা আছে, গাছ অথবা বৈদ্যুতিক তার নেই মাঠের মতো, তারা সম্ভব হলে মুভ করতে পারেন।
৭। স্বামী,স্ত্রী, বাবা, মা, সন্তান বিশেষ করে এই সম্পর্কে যারা আছি একে অপরের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেই।
৮। কেউ লিফট ব্যবহার করবেননা, আর না ছাদে আশ্রয় নিবেন। ইভেন বাসার বাইরে ফাঁকা জায়গা না থাকলে দৌড় দিবেননা। মেইনরোডে যাওয়া যাবেনা। কোনো ব্রীজের নিচে যাবেননা। মূল কথা যেখানেই যান আশেপাশে বিল্ডিং, ব্রীজ, বৈদ্যুতিক তার, গাছপালা আছে কিনা দেখে নিবেন।
৯। ঘুমানোর আগে নফল নামাজ এবং ইস্তিগফার, দরুদ, কালিমা পড়ে ঘুমানো উত্তম। সকাল সন্ধ্যার মাসনুন আমলে জোর দেই।
সবমিলিয়ে আমি সতর্কতার জন্য বলছি, দুআর জন্য বলছি, প্যানিক হয়ে ফায়দা নেই। আল্লাহর দয়া ছাড়া বাঁচা পসিবল না। এমনও হতে পারে অনেকে সেইফ প্লেসে থেকে মারা পড়েছে, অনেকে আবার ডেঞ্জার জোন থেকেও ফেরত এসেছে। হায়াত-মউত নির্ধারিত। আল্লাহর কাছে দুআ করি বার্মা প্লেট যেনো ফিক্সড হয়ে যায়, তাহলেই কেবল বড় কম্পন থেকে বাঁচা যাবে।
পরিশেষে, আপনাদের কখনো কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা চাচ্ছি, আল্লাহর জন্য মাফ করে দিবেন ।
সবাই সবার দাবি ছেড়ে দেই ইন শা আল্লাহ ।
---- সংগৃহীত