হোটেলে রেইড দিয়ে দেহব্যবসায়ীদের সাথে সাথে এক আলেম দম্পতিকেও ধরেছে। চিকিৎসার জন্য শহরে এসে হোটেলে রাতযাপন করছিলেন। এই লেবাসের লোক ধরা পড়েছে, কাটতিদার খবর বৈকি। মানহানির মামলা না করতে করতে মিডিয়া আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ইসলামপ্রিয় জনতার সম্মান যেন সস্তা পণ্য। চাইলেই হাটে উঠিয়ে দেয়া যায়। শক্ত মানহানির কিছু মামলা করা গেলে এই ট্রেন্ড দূর করা সম্ভব।
আমি অন্য একটা কথা পাড়তে চাই। আপনি জানেন আপনি দোষী নন, তাহলে মুখ লুকাচ্ছেন কেন? আপনার এই মুখ লুকানো, চেহারা ঢাকা, মাথা নোয়ানোই আপনাকে দোষী বানিয়ে ফেলে অটোমেটিক। হুজুরদের প্রায়ই বলাৎকারের মিথ্যা অপবাদে ভিডিও করা হয়। তারাও ভয়ে আতঙ্কে অপমানে লজ্জিত থাকেন, অথচ আপনি জানেন আপনি দোষী নন। আবার জামাতের এমপি গাজী নজরুলকেও যখন ভিডিও করছে, সে বলছে: বাবা মাফ করে দাও। আজকেই প্রথম। এগুলো কি ভাই? আপনার বিয়ে করা বউ, আপনি ঘাড় উঁচু করে সেটা বলবেন। তা না করে কাঁচুমাচু এগুলা কি?
আপনি যখন জানেন আপনি দোষী না, আপনার ওপর জুলুম হচ্ছে বা আপনাকে ভুল করে ধরা হয়েছে। তখন যদিও টেনশনে আছেন:
১. ঘাড় সোজা রাখবেন।
২. মুখে জোর করে মৃদু হাসি/তাচ্ছিল্য রাখবেন।
৩. বডি ল্যাঙ্গুয়েজে আত্মবিশ্বাস রাখবেন।
৪. ড্যাম কেয়ার ভাব রাখবেন।
৫. যতক্ষণ ভিডিও চলবে, চুপ থাকবেন না। লাগাতার বলতে থাকবেন আমি দোষী না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থন করতে থাকবেন।
অনেক সময় দাঈ ভাইদের বা দাওয়াতী সংগঠনগুলো ভয় পেয়ে যায় এনএসআই বা ডিবির লোকেরা খোঁজখবর করলে। ভাই, আপনি দেশের কোন ফৌজদারি অপরাধে যুক্ত নন। আমরা দাওয়াতী কাজ করি, সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজ করি। দেশের আইনের সাথে বিন্দুমাত্র সাংঘর্ষিক কোন কাজের সাথে আমরা জড়িত নই। সুতরাং ভয় কেন পাবেন। তাদের সাথে দেখা করুন, নিজেদের কর্মকাণ্ড জানান। চায়ের দাওয়াত দিন, প্রোগ্রাম থাকলে দাওয়াত দিন। তারা চাইলে কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ও প্রভাবশালী দাঈ ভায়ের নম্বর দিন তাদের কাছে। ভয়ের কোন কারণই নেই। মাতা উঁচু রাখুন, কণ্ঠ নম্র রাখুন। এরাও আমাদের দাওয়াতী অডিয়েন্স। এরাও কালেমার কাস্টমার।