একজন পুরুষ যখন বিবাহের জন্য নিজেকে যোগ্য করে তোলে, তখন সে শুধু অর্থ উপার্জন করতে শেখে না; সে জীবনকে চিনতে শেখে। সমাজের নানা দরজায় গিয়ে সে কখনো প্রত্যাখ্যাত হয়, কখনো আঘাত পায়, কখনো মানুষের দয়া ও ভালোবাসা পায়। এসব অভিজ্ঞতাই ধীরে ধীরে তাকে পরিণত করে।
এই পরিণত পুরুষ যখন একটি পরিবার গঠন করে, তখন তার স্ত্রীকে শুধু ভালোবাসার অধিকারী হলেই চলে না; তাকে সেই পরিবারের দায়িত্বেরও অংশীদার হতে হয়।
কারণ, যোগ্য পুরুষের স্ত্রী প্রিন্সেস নয়—কুইন।
প্রিন্সেস তার পিতার রাজ্যে নিরাপদে বেড়ে ওঠে। তার জন্য অন্যরা চিন্তা করে, অন্যরা সিদ্ধান্ত নেয়, অন্যরা তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কিন্তু কুইনের অবস্থান ভিন্ন। তার কাছে সম্মানের পাশাপাশি দায়িত্বও আছে। রাজ্যের সংকটে সে রাজার পাশে দাঁড়ায়, তার কষ্ট বোঝে, তাকে সঠিক পরামর্শ দেয় এবং বিপদের সময় তার হাত শক্ত করে ধরে।
একেকটি পরিবার একেকটি ছোট্ট রাজ্য। এখানে স্বামী শুধু উপার্জনকারী নয়, সে দায়িত্বশীল একজন মানুষ; আর স্ত্রী শুধু ভোগ-বিলাস অধিকারী নয়, সে রাজার (নরুষের) সঙ্গী ও সহযোদ্ধা।
তাই যে নারী একজন পোক্ত, যোগ্য পুরুষ চান, তাকে নিজের কাছেও একই পরিণতিটা প্রত্যাশা করতে হবে। শুধু আদর পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নয়, প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাও থাকতে হবে। শুধু স্বামীর সামর্থ্য দেখতে নয়, তার দায়িত্বের ভারও বুঝতে হবে।
প্রিন্সেস হতে চাইলে লুতুপুতু পুরুষ বেছে নাও; আর যোগ্য পুরুষ চাইলে নিজেকে কুইন হওয়ার জন্য প্রস্তুত করো। পরিণত পুরুষ বাচ্চার মতো তোমাকে প্রিন্সেস ট্রিটমেন্ট দিবেনা, সে তার রাজ্যে কুইন এনেছে। সে তোমার থেকে কুইনের ভূমিকা চাইবে। নিজেকে দায়িত্বশীল, ধৈর্যশীল, বিবেচক রানী করে নাও। তোমাকে দেখার সাথে সাথে সে যেনো সৌভাগ্যবান ও কৃতজ্ঞতা অনুভব করতে বাধ্য হয়।
“Cat for cat, lioness for lion.”
— Amatullah Mahmuda
12
5
2
1September 8, 2026 411 9