মুসলিম অ্যাক্টিভিস্টরা ইনফাইটিংয়ে মজে থাকেন। এদিকে লিবটার্ডরা অত্যন্ত মেথডিকালি তাদের একের পর এক এজেন্ডা টেবিলে প্লেইস করছে। সমকামকে লিগালাইজ করার হোমওয়ার্ক শেষ, সেই এজেন্ডাকে আপন গতিতে চলার ব্যবস্থা করে দিয়ে এখন গাঁজা লিগালাইজ করার এজেন্ডা হাজির করে ফেলেছে। সাবেক The Daily Star কর্মী Tasneem Khalil এর Netra News হয়তো এই রিপোর্ট দিয়ে গাঁজার পক্ষে দেশীয় লিবটার্ডদের আসন্ন ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করল।
লিবটার্ডদের প্লে-বুক সম্পর্কে ধারণা থাকলে নিশ্চয়ই জানেন যে এলজিবিটিকিউ, সেইম-সেক্স ম্যারেজ, জেন্ডার অ্যাফার্মেশান, ডিক্রিমিনালাইজেশান অফ মারিজুয়ানা, অ্যাবলিশান অফ ডেথ পেনাল্টি, অ্যাবরশন অ্যাকসেস, এগুলা হচ্ছে দেশ-জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তাদের বৈশ্বিক চাওয়া। দেশ ও সমাজ বিবেচনায় একেক দেশে তারা একেকটা এজেন্ডা একেক সিরিয়ালে হাজির করে। গ্লোবালিস্ট এজেন্ডার ধারক-বাহক ওয়েস্টার্ন এম্বেসি ও বিগ কর্পোরেটরা তাদের এসব এজেন্ডায় প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ এমনই ব্যপক সাপোর্ট দেয় যে লোকাল কোন প্রেশার গ্রুপ বা ফ্যাক্টর যথেষ্ট শক্ত বিরোধীতা না করলে এদেরকে ঠেকানো প্রায় অসম্ভব।
এদের ফুল-ফ্লেইজেড প্রপাগান্ডা, কর্পোরেট, লিগাল ও ডিপ্লোম্যাটিক উইঙ্গ আছে। গত ১০/১৫ বছরের সমকাম ও এলজি পন্থী প্রচারণার (Grameenphone ও Robi-র থীম-বেইসড নাটক-অ্যাড-স্পন্সর, BRAC ও 10 Minute School সংশ্লিষ্টদের প্রচার, ফারুকি গ্রুপের নির্মাতাদের নাটক-সিনামা ইত্যাদি) পর এখন যখন সেই ইস্যুটা লিগাল ওয়ার্ক স্টেইজে আছে এবং এটার পক্ষের কোন না একটা আইনের ধারা-উপধারা সংবিধানে ঢোকার অপেক্ষায় আছে মা'আযাল্লাহ, ঠিক তখন তাদের নেক্সট এজেন্ডাগুলা (যেমন এই গাঁজা) পুশ করা শুরু হচ্ছে। আপনি আমি এগুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে থাকতেই দেখবেন ব্যাকগ্রাউন্ডে নীরবে সমকাম ও এলজির আইনী ভিত্তি তৈরি হয়ে যাবে, মা'আযাল্লাহ। ঠিক যেন ইবলিসের স্ট্র্যাটেজি- প্রথমে একটু বিচ্যুতি, তারপর আরেকটু, তারপর এটাকে ভুলিয়ে দিতে আরেকটা, তারপর আরেকটা, এভাবে শেষমেশ সর্বনাশ।
না'ঊযুবিল্লাহ।
মুসলিম ভাইবোনদেরকে বলছি, আপনার-আমার বহিঃশত্রুদের আগ্রাসন ও কৌশল দ্বারা আমরা এতটাই ওভারওয়ার্কড যে আমাদের সময় ও এনার্জির এক ফোঁটাও অপব্যয় করা আমাদের জন্য অ্যাকসেপ্টেবল না। ইনফাইটিং বা অন্তর্কোন্দলের জন্য তো না-ই।