দীপু মনির স্বামী মারা গেছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, দীপু মনি থেকে বেশি হাইহুতাশ করছে মিডিয়াগুলো। এমনভাবে নিউজগুলো করার চেষ্টা করছে, যেন মানুষের হৃদয়ে দাগ কাটে, মানুষের মনে লীগের প্রতি ইমোশন তৈরি হয়।
প্রতিটা মৃত্যুই অবশ্যই কষ্টদায়ক। কিন্তু মিডিয়া কখনো শহীদ হাফেজ রিফাতের মায়ের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা বলবে না। কুমিল্লার শহীদনগরে ৪ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হয় হাফেজ রিফাত। তখন তার মা এবং নানা ঢাকায়, আর রিফাত থাকত কুমিল্লায় তার বোনের কাছে। রিফাত গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান তার নানা।
একদিকে ছেলে গুলিবিদ্ধ, অন্যদিকে নিজ বাবা মারা গেছে। রাতের বেলা নিজের বাবার লাশ নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা দেন রিফাতের মা। এদিকে কুমিল্লায় বোনের বাসায় গুলিবিদ্ধ রিফাত চিকিৎসার অভাবে ছটফট করছে। কোনো হাসপাতাল তার চিকিৎসা দেয়নি। বলা হয়েছিল, বাসায় নিয়ে যেতে, ঠিক হয়ে যাবে।
রিফাতের মা যখন নিজের বাবার লাশ নিয়ে অর্ধেক রাস্তা পাড়ি দিয়েছেন, তখন কুমিল্লা থেকে রিফাতের বোন ফোন করে জানায়, রিফাত দুনিয়ার সফর শেষ করেছে। একই দিনে নিজের বাবা এবং নিজের একমাত্র ছেলের মৃত্যু। একইদিনে নাতির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে হার্ট অ্যাটাক করে নানার মৃত্যু।
এবং রিফাতকে কিন্তু পুলিশ গুলি করেনি, গুলি করেছিল লীগের সন্ত্রাসীরা। লীগের এমন হাজারো কুকীর্তির কথা আমি জানি। আমার সারা জীবনেও এই লীগের প্রতি একটুও সফট কর্নার তৈরি হবে না। মিডিয়া এজন্যই এগুলো আপনার সামনে আনবে না। আনলে তো লীগ ফেরার রাস্তা বন্ধ। কিন্তু আমি বলে যাব। নো ইমোশন ফর লীগ। - আকিফ আব্দুল্লাহ