মেয়েটা সদ্য এসএসসি পাস। গাজীপুর থেকে একটা হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করার জন্য সে চলে গেছে বরগুনা। সেই ছেলে আবার চায়ের দোকানদার। ঘুমায় মন্দিরে। অন্যদিকে মেয়েটা মুসলিম। ধনাঢ্য পরিবারের। ছেলেটাকে বিয়ে করার জন্য মেয়েটা হিন্দু ধর্মে শিফট করতেও প্রস্তুত। কত বড় অপদার্থ, চিন্তা করেন! সে বলতেছে–সে ধর্ম বোঝে না, বাবা-মা বোঝে না, সে শুধু শুভকে চায়।
অথচ তাদের কোনোদিন সরাসরি দেখা হয়নি আগে, হোয়াটসঅ্যাপে প্রেম। শুভকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো–মেয়েটাকে সে আসতে বলেছে কিনা, সঙ্গে সঙ্গে সে অস্বীকার করল। অর্থাৎ মেয়েটাই অতি আবেগী হয়ে বরগুনা চলে এসেছে। ইসলাম কেন মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের মতামত বাধ্যতামূলক করেছে, এবার বুঝতে পেরেছেন?
একটা ছেলে অভিভাবকের মতামত ছাড়াই বিয়ে করতে পারে, একটা মেয়ে পারে না। কারণ আল্লাহ মেয়েদের মনস্তত্ত্ব জানেন। আল্লাহ জানেন–এরা আবেগে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এরা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিতে পারে; যার ভোগান্তি কেবল তাকেই পোহাতে হবে না, পোহাতে হবে তার পরিবারকেও। নবিজি অভিভাবক ছাড়া কোনো মেয়ের বিয়েকে তিনবার 'বাতিল' বলে উল্লেখ করেছেন। [সহিহ বুখারী : ৫১৩৬]
আশেপাশে তাকালেই দেখবেন–অসংখ্য মেয়ে এই টাইপ গাধামি করছে। আবেগে এমন ছেলের জন্য পাগল হয়ে যাচ্ছে; যে কোনো দিক থেকেই তার বা তার পরিবারের সঙ্গে যায় না। অনেক পরিবার মেয়ের জেদের কারণে বাধ্য হয়ে হয়তো বিয়ে দিচ্ছে কিন্তু এরপর ভোগাতে হচ্ছে জীবনভর। কাজেই মেয়ের অভিভাবকদের সচেতন হওয়া জরুরি। মেয়ের একটা ভুল সিদ্ধান্ত আপনার সারাজীবনের মানসিক অশান্তির কারণ হতে পারে।
'অভিভাবক সমীপে'/ লাবিব আহসান
11
4
3September 3, 2026 622 6