বাংলাদেশের বর্তমান গ্যাস সংকট টোটালি একটা আমেরিকান প্লান এবং এখানে খুবই নোংরা একটা খেলা চলছে।
এই সংকটকে কেন জানিনা যথেষ্ট কৃত্তিম এবং ইচ্ছাকৃতভাবে সৃষ্টি করা মনে হইছে এবং এইটার সাথে সরাসরি ড. ইউনুস জড়িত হলেও অবাক হব না।
জাস্ট ঘটনাগুলা খেয়াল করেন।
১. আমেরিকান কোম্পানি এক্সিলারেট বাংলাদেশের এলএনজি টার্মিনাল পরিচালনা করে।
২. এই আমেরিকান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লেগে দেশের গ্যাস সাপ্লাই একদম পঙ্গু হয়ে গেলো।
৩. গ্যাস সাপ্লাই স্বাভাবিক করার জন্য সৌদি আরামকোর কাছ থেকে ১ কার্গো এলএনজি কেনে বাংলাদেশ।
৪. এই এলএনজি কার্গো বাংলাদেশে এসে পৌছালেও সৌদির এই এলএনজি নিরাপত্তার অজুহাতে টার্মিনালে লাগাতে দেয়নাই আমেরিকা।
৫. সৌদি আরামকোর এই এলএনজি কার্গো নিরাপত্তার অজুহাতে আমেরিকা আটকে দিলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়।
৬. আমেরিকা এই সৌদি কার্গো আটকে দেয়ার ঠিক পরেই দেশের গ্যাস সাপ্লাই কমে মাত্র ১৮৮ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে যা বিগত ১০ বছরে সর্বনিম্ন।
৭. জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এক্সিলারেট এনার্জির উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদুত পিটার হাসকে যথেষ্ট অনুরোধ করে আসলেও সৌদির এই এলএনজি কার্গো খালাস করতে দেয়া হয়নাই।
৮. এই সেইম আমেরিকান এক্সিলারেট কিন্তু ২০২১ সালে ঠিকই একদম সেইম ক্যাটাগরির কার্গো খালাস করেছে। কিন্তু এখন ২০২৬ সালে এসে নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে এলএনজির সাপ্লাই স্বাভাবিক করতে দিচ্ছেনা।
৯. এখন প্রশ্ন ২০২১ সালে একই কার্গো খালাস করা গেলেও ২৬ সালে এসে আবার আমেরিকার এমন কি হইলো যে তারা কার্গো খালাস করছেনা?
১০. ঠিক এর পরেই ইউনুসের করে যাওয়া বানিজ্য চুক্তি মোতাবেক আমেরিকা থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি বাধ্যতামূলক ভাবে কিনতে হচ্ছে আমাদের।
১১. ইউনুসের করে যাওয়া এই আমেরিকান জ্বালানি কেনার চুক্তির জন্য বাংলাদেশের এখন অতিরিক্ত গুনতে হবে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার।
এইবার আসেন অংক করি।
আমেরিকান কোম্পানির টার্মিনাল গায়েবি ভাবে আগুন লেগে দেশের গ্যাস সাপ্লাই অফ হয় যাওয়ার পর সৌদি থেকে এলএনজি এনেও খালাস করতে দেয়নি আমেরিকা।
এইটাইমেই দেশে তীব্র গ্যাস সংকটের সৃষ্টি হয়। এন্ড গেস হোয়াট?
গোটা এনসিপি ইউনুসের প্রচার প্রচারণায় নেমে গেলো, ইউনুস নাকি বেটার ছিলো তারেক রহমানের চেয়ে।
আমেরিকান কৃত্তিম সংকট, আমেরিকান অ্যাসেট ইউনুসকে এই সংকটের টাইমে হাইলাইট করা, ডট মিলতেছে?
আমেরিকার খুব খায়েশ সে বে অফ বেঙ্গলে ঘাটি গাড়বে। আরাকানে করিডোর বানায়ে চীনকে কাউন্টার করবে।
এইক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশকে ইউজ করতে চায়। কিন্তু সেই ইন্টেরিম পিরিয়ড থেকেই বিএনপি মানবিক করিডোর সহ ইউনুসের অনেক আমেরিকান প্রজেক্টের সরাসরি বিরোধীতা করেছে।
আর এখন করিডোর ঠিকই হচ্ছে, বিএনপি এখানে এনগেইজ হইছে চীনের সাথে।
বিএনপি চীন ঘনিষ্ঠতার খেসারত হিসাবে যদি দেশের বাজারে আমেরিকা ইচ্ছা করে এই আগুনটা লাগিয়ে থাকে তাইলে একদমই অবাক হব না। তাদের খাসলতই এটা। সব জায়গায় স্যাবোটাজ করা।
এদের আরেকটা খুব সুক্ষ খায়েশ আছে বোঝা যায়। ইউনুসকে আবার পাওয়ারে এনে গোটা বাংলাদেশকে ভেনিজুয়েলার মত একটা মার্কিন কলোনি বানানো, যেটাকে তারা চীনের বিরুদ্ধে সামরিকভাবে ব্যবহার করতে পারে।
(সংগৃহীত )
4
1August 21, 2026 118 1