📌 ইরান যুদ্ধ: ১৭তম দিন (১৬ মার্চ) এর প্রধান ঘটনাগুলো:
১. সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গোপনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের ওপর আরও কঠোর হামলা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যদিও প্রকাশ্যে সৌদি আরব যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান দেখাচ্ছে।
২. ইজরায়েল দক্ষিণ লেবাননে স্থল আক্রমণ শুরু করেছে; হিজবুল্লাহর সাথে তীব্র সংঘর্ষ চলছে এবং হিজবুল্লাহ ৫টি ইজরায়েলি মারকাভা ট্যাংক ধ্বংস করার দাবি করেছে।
৩. মধ্য ও উত্তর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান এবং উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশেও হামলা অব্যাহত রাখে।
৪. যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পশ্চিম ইরানে যৌথ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
৫. যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাদের দেশ বৃহত্তর যুদ্ধে জড়াবে না।
৬. নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সিটিব্যাংক সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাদের বেশিরভাগ শাখা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
৭. ফুজাইরাহ বন্দরে ড্রোন হামলার পর তেল লোডিং কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে; বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
৮. জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এটি তাদের যুদ্ধ নয় এবং ইউরোপীয় নৌবাহিনী পাঠানোর কোনো যুক্তি নেই।
৯. European Troika (জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স) হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
১০. গত ১০ দিনে পাকিস্তানের ৩টি তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। যা ইঙ্গিত দেয় ইরান কিছু দেশকে ছাড় দিচ্ছে।
১১. ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
১২. জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে লেবাননে ইসরায়েলি স্থল আক্রমণের বিরোধিতা করেছে।
১৩. ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত Al-Rasheed Hotel-এ ড্রোন হামলা হয়েছে; সেখানে ইউরোপীয় প্রতিনিধিদল অবস্থান করছিল।
১৪. ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে আরো একটি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান জরুরি অবতরণ করেছে।
১৫. ইরাকের কুর্দিস্তানে অবস্থিত ইরবিলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে।