‘ধর্ম- রাজনীতি ও মানবিক অধিকারকে মিলিয়ে ফেলা যাবে না। বিএনপি সরকার টেরান্সগেন্ডারেরও অধিকার আছে, এই আদর্শে বিশ্বাসী।’
-শামা ওবায়েদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি সরকার
.
এগুলো স্পষ্ট কুফরি বক্তব্য। যা ব্যক্তিকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়। কোনো ব্যক্তি যদি এমন আকিদা বিশ্বাস করে তাহলে ব্যক্তি কা*ফে*র বলে বিবেচিত হবে। কোনো দল যদি বিশ্বাস করে তাহলে পুরো দলেরও একই বিধান হবে। এই ধরনের বক্তব্য বিশ্বাস করা ও বলা থেকে বিরত থাকা প্রতিটি মুসলিমের কাম্য।
আলেমদের উচিত, এই ধরনের আধুনিক কুফরগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট করে সরকারকে বলা। এটা একজন আলেমের প্রধানতম দায়িত্ব।
.
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বই থেকে একটি চয়ন:
‘হালালকে হারান বা হারামকে হালাল করার আধুনিক শব্দ হলো ‘অধিকার’
লিবারেলিজমে 'হারামকে হালাল করণের' স্পষ্ট বহু নীতিমালা থাকলেও কিছু শব্দের আড়ালে তারা মানুষকে এই কুফর গিলিয়েছে খুবই সুন্দরভাবে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো 'অধিকার'। এই অধিকার শব্দটি লিবারেলিজমের একটি অন্যতম আধুনিক অস্ত্র। যেহেতু শব্দটির অনেক ভালো ব্যবহার আছে, তাই খুব সহজেই লিবারেলরা এই শব্দের আড়ালে হালাল ও হারামকরণের বিষয়টি সমাজে পুশ করতে পেরেছে। ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলন মানুষের অধিকার, সমকামী আন্দোলন মানুষের অধিকার, নারীবাদী আন্দোলন মানুষের অধিকার, যৌনকর্মী আন্দোলন মানুষের অধিকার। এভাবে ইসলামের স্পষ্ট অসংখ্য হারামকে মানুষের জন্য হালাল করা হচ্ছে 'অধিকার'-এর কথা বলে। শব্দের মারপ্যাঁচে ধোঁকায় পড়ে, না বুঝে অসংখ্য মুসলমান নিজের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলছে। আর দায়িত্বশীলরা বিষয়গুলো গভীরভাবে খতিয়ে না দেখার কারণে উম্মাহকে সতর্ক করতে পারছেন না।
ট্রান্সজেন্ডার, সমকামিতা ইত্যাদি অকাট্য হারামের মাঝে অসংখ্য শিক্ষিত মানুষ নিজে যুক্ত না হলেও, তারা উক্ত কাজের সাথে যুক্তদের বিষয়গুলো সমর্থন করে। আর এই সমর্থনে তাদের বহুল প্রচলিত যুক্তি হলো এই 'অধিকার' শব্দটি 'প্রত্যেকের তো নিজ কর্মের স্বাধীনতা আছে, এটা তো প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার', 'তার অধিকার আছে, নিজের জন্য উপযোগী কর্ম নির্বাচনের' ইত্যাদি।
নাগরিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবিক অধিকার ইত্যাদির নামে হাজারো নাজায়েয ও হারামকে মানুষ হালাল করে চলছে প্রতিনিয়ত। আর হারামকে হালালকরণের জ্ঞানগত ভিত্তিকে প্রতিষ্ঠিত করছে লিবারেলিজম মতবাদ।’
19August 25, 2026 1.6K 6