সালাউদ্দিন আহমেদ ১৯৯৬ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে প্রায়ই ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে এমপি হয়েছে।
শফিকুর রহমান ১৯৯৬ সালের সে-ই নির্বাচনে জামানত হারাইছে।
সালাউদ্দিন আহমেদ মাত্র ৬৩ বছর বয়সে ৪ বার এমপি আর দুইবার মন্ত্রী হয়েছেন।
শফিকুর রহমান টানা ৩ বার নির্বাচন করে ৩ বারই জামানত হারিয়ে ইউনূসের কারসাজিতে ঢাকায় থেকে প্রথমবারের মতো এমপি হয়ে বর্তমানে ছায়া পোন্দানমুন্তি হয়েছে।
সালাউদ্দিন আহমেদ ২০০৮ এর নির্বাচনে জেলে থেকেও নিজের স্ত্রী হাসিনাকে বিপুল ভোটে জয়ী করে এনেছেন।
আর শফিকুর রহমান বারবার জামানত হারিয়ে তার স্ত্রী আমিনা শফিককে নারী কৌটায় ২০০১ সালে এমপি বানিয়েছে।
সালাউদ্দিন আহমেদ যখন ২০ দলীয় জোটের মুখপাত্র ছিলো,যে-ই জোটের অংশ ছিলো জামায়াতের মতিউর রহমান নিজামী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদরা।
সেসময় শফিকুর রহমান সিলেট মহানগরীর আমির কিংবা মহানগরী পর্যায়ের একজন নেতা ছিলেন।
মোটাদাগে সালাউদ্দিন আহমেদ আর শফিকুর রহমানের সাথে পার্থক্য এখানেই।
একসময় সালাউদ্দিন আহমেদকে গেস্ট করা ছাড়া জামায়াত শিবিরের কোনো পোগ্রামই হতো না বরং বিএনপির মধ্যে অনেকে সন্দেহ করে বলতো সালাউদ্দিন আহমেদ জামায়াতপন্থী বিএনপি নেতা।
সে-ই সালাউদ্দিন আহমেদের কাছে আজকের ২০২৬ সালে এসে পুরো জামায়াতের এটিম বিটম সব টিম পরাস্ত এবং আজ তাদের অফিসিয়াল শিক্ষক হিসেবেও ঘোষণা দিয়েছেন।
অবশ্য সালাউদ্দিন আহমেদের যে-ই লেভেল কিংবা পড়াশোনা,শফিকুর রহমানের মতো নেতার সাথে পার্থক্য করায় হয়তো বিএনপির অনেকেই আমাকে নিয়ে আজ কুৎসা রটাতে পারে।
সালাউদ্দিন আহমেদ উড়ে এসে জুড়ে বসেন নাই,জুলাই বিক্রি করে মন্ত্রী হোন নাই;প্রায়ই ৯৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে সালাউদ্দিন আজকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটাই তার হ্যাডাম,এটাই সালাউদ্দীনের শক্তির উৎস।
সালাউদ্দিন জুলাই বিক্রি করে কিংবা ধর্ম বিক্রি করে বাংলাদেশের এমপি মন্ত্রী হয় নাই,সালাউদ্দিন জনগণের ভোটেই হয়েছে সুতরাং সালাউদ্দীনের শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগন।
সালাউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে কুৎসা রটাবেন,মারার থ্রেট দিবেন আর বাংলাদেশের ৫১% জনগণ হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই.....
-আহমেদ ইমতিয়াজ