গুরুত্বপূর্ণ
অফ টপিকের একটি গবেষণা শেয়ার করি, এত এত জ্ঞান চর্চা করছো, জীবনের জ্ঞানটা নাও। আশা করি এখানে সবাই এ্যাডাল্ট এবং এ ধরণের সতর্কতামূলক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ।
তুমিও একজন ধর্ষকে পরিণত হয়ে যেতে পারো বর্তমানে বা ভবিষ্যতে। কেনো কিভাবে দেখো-----
ফিরে যাও তোমার বাচ্চা কালে, ধরো তুমি সব বোঝা কিন্তু তোমার দাঁত ওঠে নাই। একজন ব্যক্তি তোমার সামনে পাথর চিবিয়ে খেলো এবং সে এক্সপ্রেশন দিল যে জিনিসটা খুবই সুস্বাদু। তুমি কিন্তু অপেক্ষায় থাকলে যে, তোমার যেদিন দাঁত উঠবে তুমিও এই পাথরের স্বাদ আস্বাদন করবে। কিন্তু দাঁত গজানোর পর তুমি দেখলে পাথর তুমি কামড়াতেই পারছো না। তখন অন্য যতই সুস্বাদু জিনিস তুমি পাও না কেন তোমার মনে ওই আকাঙ্ক্ষা থেকেই যাবে যে ওই ব্যক্তি কিভাবে ওই পাথরে এত সুস্বাদ পেলো তা কোনভাবেই তুমি পাচ্ছ না। বিলিভ মি তুমি পাগল হয়ে যাবে, মানুষ টের না পেলেও তুমি ভেতর থেকে পাগল হয়ে যাবে। এই উদাহরণটা কেনো দিলাম দেখো:-
আজকাল এইযে যা দেখছো না? এত বিবাহিতরা কেনো ধর্ষক হিসেবে সামনে আসছে? তুমি দেখোই না,, ধর্ষকের কাতারে বিবাহিত অবিবাহিত দুই শ্রেণীর মানুষ আছে তবে বিবাহিতদের তো এই কাতারে থাকার কথা ছিল না তাই না? প্রশ্ন আসে না তাদের তো স্ত্রী আছে তারপরও তারা এই জঘন্য কাজে জড়ালো কেনো? ইভেন কম বয়সী বাচ্চারাও এদের শিকার। প্রথমে যে উদাহরণটা দিয়েছিলাম ওটার সাথে এবার রিলেট করো; ব্লু ফিল্ম সম্পর্কে সবাই জানো, ওখানে যে বিষয়গুলা দেখানো হয় তা সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পিত এবং যে স্টেপ, স্টাইল, এক্সপ্রেশন, তৃপ্তি দেখানো হয় তা অভিনীত এবং মিথ্যা। সমস্যার শুরু এখানেই, একজন অবিবাহিত যখন এগুলা দেখে অভ্যস্ত হয়ে যায়, বিবাহের পর ওইযে পাথর কামড়ানোর কথা বললাম না? ওরকমই ব্লু ফিল্ম থেকে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে আসা ওই স্টাইল, এক্সপ্রেশন, স্টেপ, তৃপ্তি কোনোটাই সে পেতে সক্ষম হয় না, কারণ ওটা তো রিয়েল লাইফের সাথে যাই না ভাই। ওটা অভিনয় এবং জঘন্য অভিনয়। ভাবো, সে কি ধরনের বিষণ্ণতায় ভোগে! তৃপ্তি খুঁজতে তারা পাগল হয়ে যায় বিশ্বাস কর। আর শুরুতে দেওয়া উদাহরণের মতো অবাস্তব ঐ তৃপ্তি খুঁজতে গিয়ে তারা ধর্ষকে পরিণত হয় (নাঊযুবিল্লাহ)। ছোট বাচ্চারা তাদের থেকে কেন নিরাপদ নয় বুঝছো? কারণ অসুস্থ ব্যক্তি যেমন ভাবে, হয়তো অমুক ডাক্তারের কাছে গেলে, অমুক ঔষধ খেলে আমি সুস্থ হয়ে যেতাম। এধরনের মানুষও মনে করে হয়তো তার স্ত্রী তার উপযুক্ত নয়।
আফসোস!
এরা নিজের স্ত্রীর হক পর্যন্ত আদায় করতে পারে না। নারীদের পরকিয়ার পেছনে অনেকাংশে এই ব্লু ফিল্ম দায়ী।
অনেক মেয়েও আছে যারা যৌবনে ব্লু ফিল্মে আসক্ত থাকে এবং একইভাবে তারাও বিবাহের পর অতৃপ্তিতে ভোগে ইভেন ইফ তার হাসবেন্ড অজ এনাফ। তারপর কী? বেছে নেয় পরকিয়ার পথ।
একটাই জীবন আর এই একটা জীবনকেই কাজে লাগাও। নেভার টেক এ স্টেপ হুইচ উইল কিল ইউ গ্রাজুয়ালি ইন ফিউচার।
শুভকামনা।