ট্রাম্পের নতুন Tariff নিয়ে হইচই: বিস্তারিত ব্যাখ্যা
আজকে ৬ এপ্রিল, ২০২৫। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১ এপ্রিল থেকে নতুন tariff বা শুল্ক নীতি শুরু করেছেন, যেটা আজকে officially চালু হয়েছে। এই নীতির কারণে পুরো বিশ্বে হইচই পড়ে গেছে, আর US stock market-এ বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
ট্রাম্পের Tariff কী আর কেন শুরু করলেন?
ট্রাম্প এই tariff শুরু করেছেন আমদানি করা পণ্যের ওপর। তার মূল লক্ষ্য হলো US economy-কে আরও শক্তিশালী করা। তিনি বলছেন, অন্য দেশগুলো যেভাবে আমেরিকার পণ্যের ওপর tariff বা শুল্ক আরোপ করে, আমেরিকাও তাদের পণ্যের ওপর একইভাবে শুল্ক বসাবে। এটাকে তিনি "reciprocal tariff" বলছেন। তার logic হলো, এতে foreign কোম্পানিগুলো আমেরিকায় পণ্য আমদানি না করে আমেরিকার মধ্যেই তাদের manufacturing শুরু করবে, যেটা US economy-র জন্য ভালো।
তিনি গত ২ এপ্রিল একটা executive order সই করে ১০% baseline tariff আরোপ করেছেন সব দেশের আমদানি পণ্যের ওপর। আর কিছু দেশের ওপর আরও বেশি rate, যেমন China-এর ওপর মোট ৫৪% পর্যন্ত tariff আরোপ করা হয়েছে। আজকে থেকে এই tariff আদায় শুরু হয়েছে, আর আগামী ৯ এপ্রিল থেকে ১৮৫টা দেশের ওপর আরও tariff চালু হবে।
US Stock Market-এ কী Impact হয়েছে?
এই tariff-এর কারণে US stock market-এ বড় ধাক্কা লেগেছে। Yahoo Finance-এর খবর অনুযায়ী, Dow Jones Industrial Average ৫.৫% কমে গেছে, মানে ২,২৩০ পয়েন্ট পড়ে গেছে। Nasdaq Composite ৫.৮% কমেছে, যেটা এখন bear market-এ চলে গেছে, মানে এটার দাম ২০% কমে গেছে তার peak থেকে। S&P 500-ও প্রায় ৬% কমে গেছে। মোট মিলিয়ে গত দুই দিনে US stock market থেকে ৬.৬ ট্রিলিয়ন ডলারের loss হয়েছে, যেটা global market-এর জন্যও বড় ধাক্কা।
এই market crash শুরু হয়েছে গত বুধবার থেকে, যখন ট্রাম্প তার tariff নীতি ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার এই পতন আরও বেড়েছে। Nasdaq-এর এই পতন ২০২০ সালের COVID crisis-এর পর সবচেয়ে বড় পতন। JP Morgan-এর chief economist বলছেন, এই tariff-এর কারণে global economy-তে ২০২৫ সালে recession আসার chance এখন ৬০%, যেটা আগে ছিল ৪০%।
China-এর Reaction কী?
China এই tariff-এর বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তাদের state-run Xinhua news agency বলছে, এই tariff China-এর economy-র জন্য খারাপ, আর এটা একটা "economic bullying"। তারা বলেছে, "Stop using tariffs as a weapon to suppress China's economy and trade, and stop undermining the legitimate development rights of the Chinese people." তারা এটাও বলেছে যে এই tariff বন্ধ করতে হবে।
China এর পাল্টা জবাব হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে যে তারা US থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর ৩৪% tariff বসাবে, যেটা ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। এটা ট্রাম্পের দেওয়া tariff-এর সাথে match করে। China-এর Foreign Ministry spokesperson Guo Jiakun বলছেন, "The market has spoken," আর তিনি US stock market-এর পতনের ছবি শেয়ার করে বলেছেন, "The trade and tariff war started by the US against the world is unprovoked and unjustified."
Global Impact এবং অন্য দেশের Reaction
এই tariff শুধু US আর China-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, পুরো global economy-তে এর impact পড়ছে। UK-এর Prime Minister Sir Keir Starmer বলেছেন, এই tariff একটা trade war শুরু করতে পারে, যেটা সবার জন্য "extremely damaging" হবে। তিনি Australia আর Italy-এর প্রধানমন্ত্রীদের সাথে কথা বলে একমত হয়েছেন যে এটা global economy-র জন্য খারাপ। Italy-এর প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, US-এর বিরুদ্ধে পাল্টা tariff দিলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
Europe, Asia আর Canada-এর market-ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। Japan-এর Nikkei index ২.৮% কমেছে, আর Germany-এর DAX ৫% কমে গেছে। Canada-ও পাল্টা tariff দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। Economists বলছেন, এই trade war-এর ফলে consumer-দের জন্য দাম বাড়বে, আর US economy recession-এর দিকে যেতে পারে।
ট্রাম্পের Reaction
ট্রাম্প এই সব criticism আর market crash-এর পরেও তার position থেকে সরছেন না। তিনি এখন Florida-তে তার golf course-এ সময় কাটাচ্ছেন। তিনি Truth Social-এ লিখেছেন, "THIS IS A GREAT TIME TO GET RICH," আর বলছেন যে এই tariff থেকে US economy শক্তিশালী হবে। তার advisor Peter Navarro বলছেন, "The market will find a bottom soon, and the Dow will hit 50,000 during Trump’s term." কিন্তু Elon Musk, যিনি ট্রাম্পের advisor, তিনি Navarro-কে critic করে বলেছেন যে তার এই ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী করার qualification নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতামত, তারা কি বলছেন?
@thecryptotodays