ঘরে ঘরে মাওলানা, মুফতি থাকার প্রয়োজন নেই। এখন প্রতিটি পাড়া, রোড,গলি, মহল্লায় মসজিদ আছে। মসজিদের ইমাম ও খতীব সাহেবদের থেকে মাসআলা জানা যায়। প্রতিটি ইউনিয়নে এখন দাওরা পর্যন্ত পড়াচ্ছে এমন মাদরাসা আছে। উপজেলাগুলোতে বড় মাদরাসা আছে। চাইলেই সেখানে গিয়ে লিখিত ফাতাওয়া নিয়ে আসা যায়।
ছেলেদের হিফজ করাতে হলে বাসার পাশে করানো গেলে করাবে নয়তো প্রয়োজন নেই। অনেক ছেলেদের দেখা যাচ্ছে হিফজ করার পর আর আমল নেই। এর থেকে কিছু সূরা মুখস্থ করে দ্বীনের প্রয়োজন পরিমাণ শিখে স্বাভাবিক জেনারেল লাইনে পড়লে কোনো সমস্যা নেই।
জরুরী হলো দ্বীন শেখা। সেটা মাদরাসায় আবাসিক না থেকেও শেখা যায়। বাবা-মা’র দ্বীন জানা থাকলে সন্তানদের ঘরে দ্বীন শেখানো কঠিন কিছু না। বাবা-মা’র তিলাওয়াত সহিহ হলে হিফজ করানোও সহজ।
যাদের আর্থিক সামর্থ্য আছে, তারা চাইলে ঘরে উস্তাদ রাখতে পারে।
মূলকথা, হিফজ করাতে গিয়ে সারাজীবনের ট্রমা কিনে আনার কোনো দরকার নাই।
17September 3, 2026 595 5