বর্তমানে সেনাবাহিনীর ভেতরকার অবস্থা :-
জুনিয়র অফিসার (লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর) দের মাঝে ক্রমান্বয়ে বিদ্রোহী মনোভাব ফুটে উঠছে। অধিকাংশ সেনা ক্যাম্প এর টহলের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে যোন কমান্ডাররা। কমান্ডার স্যারদের বিভিন্ন অনাচার-অনিয়ম এর ব্যাপারে ইনফর্ম করলেও তারা একশনে যেতে বাধা দিচ্ছে।
মিডিয়ায় বলা হচ্ছে এই কয়দিনে ডেভিল হান্ট অপারেশন এ ৯হাজার লীগ গ্রেফতার। এটা স্রেফ মিথ্যা কথা। বাস্তবিক সং্খ্যা এর অর্ধেক ও না।
পুলিশের আইজিপি আজ ঘোষণা দিয়েছে র্যাব,পুলিশ আর এন্টি টেররিজম ইউনিট মিলে যৌথ অভিযানের।উদ্দেশ্য দেশের এই কয়দিনের অরাজকতা বন্ধ করা। অথচ সেনাবাহিনী এই অভিযান এ নামবে না।
সেনা হেল্প লাইন নাম্বার অফ করে দিয়েছে যেগুলা ৫ই আগস্ট এর পর চালু করা হয়েছিল।ক্যান্টনমেন্ট এ কেও কোনো বিচার চাইলেও ক্যান্টনমেন্ট থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না।
আমি গত রাতেই আমার অনলাইন টিম এর সদস্যদের বলেছিলাম,দেশে এখন অরাজকতা হবে।কিন্তু সেনাবাহিনী তৎক্ষনাৎ সেখানে গিয়ে অরাজকতা রোধ করবে না।
আমার কথার প্রমাণ আজ ১ঘন্টা আগেই স্পষ্ট হয়েছে ওয়াকার স্যারের বিবৃতিতে।উনি সেনা সদস্যদের মানা করে দিয়েছে যাতে কেও হার্ড একশনে না যায়।
সেনাবাহিনী কে অচল করে ফেলা হচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি আমাদের থেকে ম্যাজেস্ট্রেসি পাওয়ার তুলে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এ ফেরত পাঠানো হবে না তো!
সেনাবাহিনী অচল হয়ে যাওয়া মানে দেশের আকাশে কালো মেঘ জড়ো হচ্ছে। যদি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের না শুধরে নেয় তাহলে সেনাবাহিনীর ভেতরে এখন বিদ্রোহ শুরু হওয়া সময়ের দাবি।
তবে শেষে একটা কথাই বলতে চাই, বিশ্বে এমন অনেক নজির আছে যেখানে সৈনিক দের হাতে সেনা প্রধান খু*ন।
সবাই কপি ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিয়ে সবাইকে বাস্তবতা জানার সুযোগ দিন।
✍️ লেফটেন্যান্ট আবির হাসান ফারাবী
1February 24, 2025 764