চুরির ঘটনার পর মন্দিরের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। এ সময় মন্দিরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে তারা পুলিশের ওপর ক্ষোভও প্রকাশ করে। পরে জেলা পুলিশের তদারকিতে চোর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। একপর্যায়ে রোববার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে মন্দির থেকে ধর্মীয় সামগ্রী নিয়ে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকায় যাওয়ার সময় পার্কের স্টাফদের সন্দেহ হয়। পরে তাকে তল্লাশি করলে তার কাছ থেকে মন্দির থেকে চুরি করা শিবের ত্রিশূলসহ ধর্মীয় সামগ্রী পাওয়া যায়, যার ফলে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন চন্দ্র নাথ চুরির কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সে ভক্ত হিসেবে মন্দিরে প্রবেশ করে সুযোগ বুঝে ত্রিশূল ও দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি করে। এর আগেও সে ওই মন্দিরে চুরি করেছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মামলার বাদী শিমুল কুমার নাথ সাংবাদিকদের জানায়, ত্রিশূলটি পিতলের তৈরি। এর বাজারমূল্য আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণ পূজা দিয়ে বের হওয়ার পর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে। পরে তারা ভূজপুর থানায় অভিযোগ দেয়।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানায়, চুরির ঘটনার পর মন্দিরের লোকজন পুলিশের ওপর ক্ষোভ ঝাড়ে। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর শুরুতে তারা মামলা করতে রাজি হচ্ছিল না। একপর্যায়ে পুলিশের জোরাজুরিতে তারা মামলা করে।
5September 1, 2026 327