Trade Vault Ltd. | Courses: post #6212 — TG.ME

Forwarded fromTHThe Crypto Today
২০১৮ সালে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম চায়নার পণ্যে শুল্ক চাপিয়েছিলেন, তখন থেকেই আমেরিকা-চায়নার ট্রেড যুদ্ধের গল্প শুরু। সেই লড়াইয়ে আমেরিকার কৃষকরা প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের লস খেয়েছিলেন, কারণ চায়না তাদের সয়াবিন ও শুকরের মাংস কেনা বন্ধ করে দেয়।

২০২০ সালে "ফেজ ওয়ান ডিল" নামে একটা সমঝোতা হয়, যেখানে চায়না প্রতিশ্রুতি দেয় ২০০ বিলিয়ন ডলারের আমেরিকান পণ্য কিনবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি রাখা হয়নি।

এখন ২০২৫ সালে ট্রাম্প আবার ফিরে এসে আবার শুল্কের ঝড় তুলেছেন। এবার চায়নার পণ্যে ৬০% পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব এসেছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ১০০% ছাড়িয়ে যাওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে মার্চ-এপ্রিলে এই শুল্ক বাড়তে থাকে—প্রথমে ১০%, তারপর আরও ১০%, এবং সর্বশেষ ৩৪% পর্যন্ত। চায়নাও চুপ করে নেই। তারা আমেরিকার কৃষিপণ্যে ১৫% এবং অন্যান্য পণ্যে ১০-৩৪% শুল্ক বসিয়েছে, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে। চায়না বলছে, "এটা ট্রেড যুদ্ধই হবে, আর আমরা শেষ পর্যন্ত লড়বো।"

এই লড়াইয়ের আঁচ আমাদের বাংলাদেশেও লাগছে। ২০১৮-১৯ সালে আমরা সুবিধা পেয়েছিলাম—চায়নার ওপর শুল্ক বাড়ায় আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানি বেড়ে যায়। কিন্তু এবার ছবিটা অন্যরকম। আমেরিকা যদি সব আমদানি পণ্যে ১০-২০% শুল্ক বসায় এবং বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭% পর্যন্ত শুল্ক আসে, তাহলে আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। তবে আশার কথা, চায়না-ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগীদের ওপর শুল্ক আরও বেশি হলে আমরা এগিয়ে থাকতে পারি। আমাদের রপ্তানি ২০২৩ সালে ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যার বড় অংশ আমেরিকায় যায়।

এই যুদ্ধে আমরা কতটা টিকে থাকব?কে জিতবে—ট্রাম্পের আমেরিকা, না চায়নার অর্থনৈতিক শক্তি? আর আমাদের ভাগ্যে কী আছে—সুযোগ, না সংকট? বাকি আপডেট দিতে থাকবো আমরা। ইনশাআল্লাহ।

@thecryptotodays
👍4
April 9, 2025 555