ডিএমপির এই অফিসার খুব আক্ষেপ করে বলতেছে, শীর্ষ চাঁদাবাজ ফারুককে কয়মাস আগে ধরে মোহাম্মদপুরে, ৩ রাস্তার মোড়ে শোডাউন দেওয়া হল। কয়মাস লাগছে বের হতে? ৩ মাসও না! উল্টো বের হয়ে অভিযোগকারীদের হুমকি দিয়ে গেছে, আমার বের হতে এত লাখ টাকা লেগেছে, এগুলো তোরা দিবি!
এরপর ফারুকের মতো আরো কয়েকজন নামধারীর উদাহরণ ছিল। সব একই অবস্থা। পুলিশ কষ্ট করে অপরাধী ধরে। এরপর কোর্ট জামিন দিয়ে দেয়।
কীভাবে হয়? তা তো পুলিশের জানার কথা না।
যতদূর শোনা যায়, প্রভাবশালী আইনজীবীরা কোর্টে দাঁড়ালেই জামিন হয়ে যায়। ১০-১৫ থেকে সর্বোচ্চ ১ মিনিট সেকেন্ড শুনানি চলে। বিচারকদের সাথে এই আইনজীবীদের পার্টনারশিপের অভিযোগও আছে!
কয়েকমাস আগে সিলেটে এক পুলিশও এভাবে বলছিল। দু'দিন পরপরই পুলিশদের এমন আক্ষেপ করতে দেখা যায়।
সারাদেশে একই অবস্থা। যেকোনো অপরাধে যে কেউ আটক হলে কয়েক মাসের মধ্যে বের হয়ে আসতেছে। বড় অপরাধী, ছোট অপরাধী সবাই একই অবস্থা।
এই সরকার এমনিতে সব সেক্টরে ব্যর্থ। তার মধ্যে সবথেকে বড় ব্যর্থতা এই বিচার বিভাগে৷ একেবারে খেলনা বানিয়ে ফেলেছে। আর দেশ হয়ে গেছে চোর-গুন্ডা-বদমাশ-চাঁদাবাজদের।

15August 30, 2026 597