সম্প্রতি পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এসডো (ESDO) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায় এক ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশের বাজারে থাকা ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই পাওয়া গেছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক!
শিশুদের ৪টি টুথপেস্টসহ অধিকাংশ ব্র্যান্ডেই প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যা প্রতিদিন অবচেতনভাবেই আমাদের পেটে যাচ্ছে এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। (বাংলাভিশন নিউজ)
প্লাস্টিক ও কেমিক্যালের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিজেদের ও পরিবারকে বাঁচাতে এখন সময় এসেছে একটি নিরাপদ ও প্রাকৃতিকভাবে বিশুদ্ধ বিকল্প বেছে নেওয়ার—সুন্নাহসম্মত মেসওয়াক।
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অত্যন্ত প্রিয় ও নিয়মিত আমল ছিল মেসওয়াক। হাদিস শরিফে এর গুরুত্ব স্পষ্টভাবে এসেছে:
১. রবের সন্তুষ্টি ও মুখের পবিত্রতা:
"মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম ও আল্লাহর সন্তোষ লাভের উপায়।"
(সুনানে নাসায়ি: ৫)
২. প্রতিটি সালাতের পূর্বে রাসুল (সা.)-এর তাগিদ:
"যদি না আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে করতাম, তবে অবশ্যই প্রতিটি সালাতের (নামাজ) পূর্বে তাদের মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।"
(সহিহ বুখারি: ৮৮৭)
৩. দৈনন্দিন জীবনের অংশ:
আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেন, নবিজি (সা.) ঘরে প্রবেশ করেই সর্বপ্রথম মেসওয়াক করতেন। (সহিহ মুসলিম: ২৫৩)
এছাড়া রাতে ইবাদতের উদ্দেশ্যে ঘুম থেকে উঠেও তিনি মেসওয়াক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতেন। (সহিহ বুখারি: ২৪৫)
🌿 কেন কেমিক্যাল পেস্ট ছেড়ে মেসওয়াক বেছে নেবেন?
ওজু, সালাত, ঘুম থেকে ওঠার পর কিংবা ঘরে প্রবেশের সময় মেসওয়াক ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলুন। কৃত্রিমতা বর্জন করে আসুন আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এই বরকতময় সুন্নাহকে নিজের জীবনে পুনরুজ্জীবিত করি।





