দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার প্রায় এক বছর হতে চলেছে। এ সময়ে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের রপ্তানি-আমদানি, কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের ওপর। ইউসুফ আফ্রিদির দেওয়া ২৫০ কোটি ডলারের ক্ষতির হিসাব সেই সিদ্ধান্তের বড় অর্থনৈতিক পরিণতিই তুলে ধরছে।
আফগানিস্তানকে চাপে ফেলার উদ্দেশ্যে নেওয়া সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ব্যবসায়ী, কৃষক, কারিগর ও সাধারণ মানুষের ওপরই বড় বোঝা তৈরি করেছে। অন্যদিকে ইমারাতে ইসলামিয়া প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ এবং নীতিনিষ্ঠ বাণিজ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত যোগাযোগ পুনরায় চালুর অবস্থান ধরে রেখেছে।
17September 6, 2026 439