নারীদের কখনো তোমার বন্ধু বানাবেনা। জাস্টফ্রেন্ড কনসেপ্ট হচ্ছে মিথ্যা ও ক্ষতিকর। এখন, আমি জানি এই লেখা এমন অনেকেই পড়ছো, যারা তুলতুলে ইয়াং কলেজে ওঠা ইবয়/ইগার্ল। তোমরা লিবারেল, ভেগান, ফেমিনিস্ট। তোমরা টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি নিয়ে চিন্তিত। গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে তোমাদের ঘুম হয়না। রোজ এন্টিডিপ্রেসেন্ট খাও। তোমাদের কেবলা ক্যালিফোর্নিয়া (আমেরিকা)। তোমরা বামপন্থী। তোমরা ভাবো, মেয়েরা অবশ্যই ভাল বন্ধু হয়! আমার অনেক আছে। আমরা ছেলেবন্ধুরা একসাথে আড্ডা দেই, ধূমপান করি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, পুরুষ ও নারী অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিওরলি বন্ধু হয়না। এক্সেপশান আছে। কিন্তু এক্সেপশান বিপরীতটাকেই রুল হিসেবে প্রমাণ করে। এক্সেপশানের ক্ষেত্রে বলা হবে, পুরুষ ও নারীর বন্ধু হওয়া উচিত না। আমার সাথে নারীদের সম্পর্ক দুই রকমের- তুমি আমার বিজনেস পার্টনার, তোমার সাথে আমার মাসে দেখা হয়, আমরা আধাঘন্টা কফি নিয়ে বসি, আমার বিজনেসের মাসের রিপোর্ট পর্যালোচনা করি, পরের প্ল্যান করি, বাই বলে চলে আসি। অথবা তুমি আমার পাশের কফিশপের পরিচিত বারিস্তা, আমি যাই, গুডমর্নিং বলি, তোমাকে আমি চিনি সেটুকুর পরিপূর্ণ সৌজন্যতার পরিচয় দেখাই, কফি নিয়ে তোমার সুন্দর দিনের প্রত্যাশা করে চলে আসি। আমরা বন্ধু না। অথবা তুমি এমন কেউ, যার সৌন্দর্যের প্রশংসা করি, তোমাকে বলি তোমার ড্রেসটার মতো আরো দুটো কিনে রাখা উচিত কেননা জিনিসটা অসাধারণ, তোমাকে আমি বিভিন্ন ইনফো ও জোক বলে মুগ্ধ করি, তোমকে ডিনারে নিয়ে যাই। তোমাকে আমি ইমপ্রেসড করতে চাচ্ছি এবং তোমার সাথে আমি প্রেম করতে চাচ্ছি। আমরা বন্ধু না। আমার নারীবন্ধুর প্রয়োজন নেই, কেননা নারীরা যেই বিষয়ে আগ্রহী থাকে, আমার তাতে কোন আগ্রহ নেই। আমি নারীদের বন্ধু বানানোর কোন কারণ দেখি না। ঐতিহাসিকভাবে নারীরা পুরুষের বন্ধু ছিলনা। বাহ্যিকভাবে সকল “নারীরা পুরুষের বন্ধু হয়” এই কনসেপ্ট মূলত লিবারেলদের সমাজকে জেন্ডার নিউট্রাল ফিলোসফির দিকে নেয়ার একটা ধাপ। তোমার সাথে যদি আমার তরল কোন সম্পর্ক না হয়, আমরা পুরোপুরি সংযত দুইজন ইন্ডিভিজুয়াল, আমাদের আর কি করার আছে!? তুমি যদি সাধারণ ঘরানার হও, তাহলে মেকআপ নিয়ে আলাপ করব? যদি একটু ট্রেন্ডি হও, তাহলে ইনফ্লুয়েন্স ও সোশাল মিডিয়া নিয়ে আলাপ করব? যদি একটু শিক্ষিত হও, তাহলে প্লাস্টিক পরিবেশের কি ক্ষতি করে ও কেন মাংস খাওয়া উচিত না, পশুরা কত সুইট, এগুলা নিয়ে আলাপ করব?! -এন্ড্রু টেইট
10
5
1
1