তারা নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত খুঁজে বের করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে… — Al Firdaws — TG.ME

তারা নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত খুঁজে বের করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ঘটনাগুলোর পুনঃতদন্ত ও অগ্রগতি পর্যালোচনা, শিশু নিখোঁজ ও পাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সংখ্যা ২০২৪ সালে ছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৫০০। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত শিশু নিখোঁজ সংক্রান্ত ১৫ হাজার ৭১৭টি জিডি দায়ের হয়েছে বলে জানানো হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ১৫ হাজার ৭১৭ জন নিখোঁজ শিশুর মধ্যে ৮৭ শতাংশের বেশি শিশু উদ্ধার হয়েছে। সংখ্যায় এটি ১৩ হাজার ৬৭৯ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২,০৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ।

বক্তারা বলেন, এসব তথ্য শুধু সাম্প্রতিক কয়েক বছরের চিত্র। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে শিশু নিখোঁজ, অপহরণ ও পাচারের ঘটনা ঘটছে। এর অনেক ঘটনাই এখনো অমীমাংসিত। তাই নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালে সিলেটে শিশু মুনতাহা নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের পর নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে অ্যাম্বার অ্যালার্ট ব্যবস্থা চালুর দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের সমন্বয়ে ‘মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন’ বা ‘মুন অ্যালার্ট’ এবং টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯-এর কার্যক্রম চালু করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে এটি দেশব্যাপী শিশু নিখোঁজ প্রতিরোধ ও উদ্ধারে সহায়ক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। সংবাদ সম্মেলন শেষে নিখোঁজ শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচির কথাও জানানো হয়।
😢1
September 7, 2026 153