জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছে, ‘আয়রন ওয়াল’ অভিযান যেভাবে পরিচালনা করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে যত বেশি সম্ভব ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের পথ তৈরি করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের আরো লঙ্ঘন।
জাতিসংঘ এই প্রতিবেদনে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নির্মূল’ ও ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলে উল্লেখ করলেও, কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ইসরায়েল এই প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘পক্ষপাতমূলক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে, অথচ জাতিসংঘ শুধু একটি ‘দায়সারা বিবৃতি’ দিয়ে ক্ষান্ত হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের এই নির্মম আগ্রাসন ও আমেরিকার অন্ধ সমর্থনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের এই নিষ্ক্রিয়তা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি তাদের দুর্বল প্রতিশ্রুতিরই প্রমাণ। ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তের বিনিময়ে লেখা এই দায়সারা বিবৃতি কোনো কাজেই আসেনি। যতদিন না জাতিসংঘ ইসরায়েলের ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে এবং আমেরিকার এই অপরাধে সহযোগিতা বন্ধ করবে, ততদিন ফিলিস্তিনিদের ওপর এই নির্যাতন অব্যাহত থাকবে।
4September 5, 2026 423