এদিকে ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহে দেরি হওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়াসহ প্রক্রিয়াগত জটিলতার বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছে পুলিশ। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানায়, ‘গতকাল (৩০ আগস্ট) জেলগেট থেকে দুই আসামির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওই নমুনা পরীক্ষা করে এমফিটামিনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।’
সনাতন চক্রবর্তী জানায়, ‘প্রথমে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়, আমরা তাদের ডোপ টেস্ট করাব কিনা। এরপর আমরা আদালতে আবেদন করেছি। আদালত সেটা বিবেচনা করেছেন, এরপর আদালত আদেশ দিয়েছেন। সেই আদেশটি আমরা পেয়েছি বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট)। এরপর দুই দিন ছুটি ছিল। তারপর প্রথম ওয়ার্কিং ডে তেই (৩০ আগস্ট) আমরা এটা (ডোপ টেস্ট) করেছি।’
ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী আরও জানায়, 'এত দিন পর প্রস্রাব পরীক্ষায় আগে সেবন করা মাদকের উপস্থিতি সাধারণত শনাক্ত হয় না। ফলে পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হওয়ার অর্থ এই নয় যে, অভিযুক্তরা হত্যাকাণ্ডের আগে বা পরে মাদক সেবন করেননি।'
2
1September 1, 2026 335